আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে রাসূলের (সা.) সিরাতকে পরিপূর্ণভাবে অনুসরণ করতে হবে বলে জানিয়েছেন সাবেক বিচারপতি মুহাম্মদ আব্দুর রউফ।
আজ শনিবার রাজধানীর ইনিস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিবিআই) মিলনায়তনে জাতীয় সিরাত উদযাপন কমিটির উদ্যোগে ‘আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে রাসূল (সা)’ শীর্ষক জাতীয় সিরাতুন্নবী (সা.) সেমিনার ও সিরাতের উপর রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ আব্দুর রউফ বলেন, ‘আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে রাসূলের (সা.) সিরাতকে পরিপূর্ণভাবে অনুসরণ করতে হবে। প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (সা.)-এর দেখান মানবীয় মূল্যবোধের প্রতি আমাদের নজর রাখতে হবে। তাকে মানার মাধ্যমেই আমরা মানবতার সঠিক পথে পরিচালিত হতে পারব। আজ সমাজে যেভাবে অন্যায় চলছে তা বন্ধ করতে হলে অবশ্যই নবী (সা.)-এর দেখানো আদর্শ মতো কাজ করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে সাইয়্যেদ কামাল উদ্দিন জাফরী বলেন, ‘মানুষের জন্য উত্তম আদর্শ হিসেবে মহান আল্লাহ তায়ালা মুহাম্মদ (স.)-কে পাঠিয়েছেন। সুতরাং জীবনের সকল ক্ষেত্রে আমাদের রাসুল (সা.) এর আদর্শকে মেনে চলতে হবে। রাসুলকে আল্লাহ জ্ঞান দিয়ে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। ফলে জ্ঞানের ক্ষেত্রে আমাদের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে হবে।’
অধ্যাপক ড. আ ক ম আব্দুল কাদের তার প্রবন্ধে বলেন, ‘যখন কোন সমাজে সম্প্রতি, কল্যাণকামীতা, সাম্য ও সুবিচার নিশ্চিত হয় এবং তাকওয়ার নীতিতে পরিচালিত হয় তখন তা আদর্শ সমাজে পরিনত হয়। রাসূলুল্লাহ (সা.) নবুওয়াত লাভের পরে সমাজ সংস্কারে মনোনিবেশ করেন। সমাজ বিনির্মাণে রাসুলুল্লাহর দুটি যুগ ছিল। প্রাথমিক পর্যায়ে মক্কায় ছিল সংগ্রামের যুগ। তা ছিল ব্যাক্তি গঠন পর্যায়ে। ২য় পর্যায়ে মদীনায় ছিল বিজয়ের যুগ। তৈরী করা ব্যক্তিদের নিয়ে সমাজের আমূল পরিবর্তন করে আদর্শিক সমাজ গঠন পর্যায়।